মাওলানা তাজউদ্দীন খান

জামায়াত মনোনীত মেহেরপুর ১ আসনের প্রার্থী
মাওঃ মোঃ তাজউদ্দিন খান একজন শিক্ষক, একজন জনদরদি সমাজ সেবক, ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ সিপাহ সালার। তিনি ১৯৭৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার বল্লভপুর গ্রামে এক ধর্মপ্রাণ মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আবুল হোসেন এবং মাতা মোছাঃ সুফিয়া খাতুন। পরিবারে তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। পারিবারিক পরিচয়ঃ মাওঃ মোঃ তাজউদ্দিন খানের বড় বোন মোছা: সেলিনা খাতুন গৃহিণী ছিলেন এবং ২০২১ সালে ইন্তেকাল করেন। ছোট বোন মোছা: নাছিমা খাতুন (৫৮) একজন গৃহিনী। বড় ভাই সেলিম হোসেন খান (৫৬) বছর ঔষধ ব্যবসায়ী এবং মেজো ভাই সাখাওয়াত হোসেন স্বপনও ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত। আর মাওঃ মোঃ তাজউদ্দিন খান পরিবারের ছোট ছেলে যিনি বিবাহিত জীবন-যাপন করছেন সুখি-পরিবারে। তাঁর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। * বড় ছেলে ইসলামী স্টাডিজে মাস্টার্স করছেন কুষ্টিয়া থেকে। * বড় মেয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে কেমিস্ট্রিতে অধ্যায়নরত। * ছোট মেয়ে এইচ.এস.সি ২য় বর্ষে অধ্যায়নরত। * ছোট ছেলে ৭ম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। শিক্ষা জীবনঃ মাওঃ তাজউদ্দীন খানের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় তার জন্মস্থান বল্লভপুর সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয় থেকে। সেখানে ১ম ও ২য় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। পড়া-শোনার মাঝে তাঁর ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি ঝোঁক লক্ষ্য করা যায়। পিতা-মাতা দেরি না করে মানিকনগর ডি,এস আমিনিয়া আলিম মাদরামার তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দেন। সেখান থেকেই তিনি ১৯৮৯ সালে কৃতিত্বের সাথে দাখিল পাশ করেন। মাওঃ তাজউদ্দিন খান উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য ছুটে যান যশোরের লাউড়ি কামিল মাদরাসার। সেখান থেকে তিনি ১৯৯১ সালে কৃতিত্বের সাথে আলিম পাশ করেন। শান্ত স্বভাবের এই-যুবক মাওঃ তাজউদ্দিন খান জ্ঞানের নেশায় সেখান থেকে ছুটে আসেন চুয়াডাঙ্গার বদরগঞ্জ বাকাবিল্লাহ কামিল মাদরাসায়। এখান থেকে তিনি ১৯৯৬ সালে ফাজিল পাশ করেন। জ্ঞান পিপাসু মাও তাজউদ্দিন খান চলে যান কুওয়াতুল ইসলাম কামিল মাদরাসা কুষ্টিয়াতে। সেখান থেকে তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রি কামিল (এম.এ) প্রাশ করেন। কর্মজীবন ছাত্র জীবন শেষ করে মাওঃ তাজউদ্দিন খান শিক্ষকতা পেশায় জড়িয়ে পড়েন। বর্তমানে তিনি মানিকনগর ডিএস আমিনিয়া আলিম মাদরাসায় একজন সম্মানিত শিক্ষক। তার আয়ের উৎস হালো শিক্ষকতা ও নিজস্ব জমিজমা হতে প্রাপ্ত আয়। সামাজিক কর্মকান্ডে তাঁর অবস্থান: ছাত্র জীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সেবা মূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। মাও. তাজউদ্দিন খান প্রায় বিশ বছর ধরে সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিজ গ্রাম বল্লভপুর জামে মসজিদ, বল্লভপুর কবরস্থান ও ঈদগাহ ময়দানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এছাড়া আননূর বিএম কলেজ বাগোয়ান এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সকল প্রতিষ্ঠান তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক ও আন্দোলন জীবন ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ইসলামী আন্দোলনের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। ১৯৯৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ১৯৯৪- ১৯৯৯ পর্যন্ত তিনি বাগোয়ান ইউনিয়ন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০০-২০০৯ পর্যন্ত তিনি মুজিবনগর উপজেলা আমিরের দায়িত্ব পালন করেন ২০১০- ২০১৩ পর্যন্ত মেহেরপুর জেলার সহকারী সেক্রেটারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ এপ্রিল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মেহেরপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ থেকে অদ্যবধি মেহেরপুর জেলার ইসলামী আন্দোলনের কর্ণধার “জেলা আমির” হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই ইসলামী আন্দোলনে নেতৃত্বদান-কালে এই মহান বীর ছয় ছয় বার মাজলুমের শিকার হয়ে জালিমের কারাগারে কারাবরণ করেছেন সাথে সাথে ১৮ টি মিথ্যা মামলার মোকাবিলা করতে হয়েছে পরবর্তীতে বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ১৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ২০১২-২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে তাঁকে কারাবরণ করতে হয়। সর্বোপরি বলা যায়: মাও. তাজউদ্দিন খান একজন সৎ-পরিশ্রমী ও দৃঢ়চেতা মানুষ। সমাজসেবা মূলক ভাবে তাঁর আন্তরিকতা ও সততা তাঁকে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সম্মানিত করেছেন। শিক্ষক হিসেবে তিনি আদর্শবান, নেতা হিসেবে তিনি সাহসী এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাকে সব সময় তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় এই জন্যই তিনি সব সময় ছুটে যান অসহায় মানুষের পাশে। এমন একজন মানুষ মেহেরপুর বাসীর জন্য জাতীয় নেতা হিসেবে বড়ই প্রয়োজন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুরের আপামর জনসাধারণ মেহেরপুরের উন্নয়নে এমন একজন জনদরদী মানুষকে জাতীয় সংসদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই। জনসাধারণের মুখে একই কথা “সব দল দেখা শেষ, এবার দাঁড়ি পাল্লা বাংলাদেশ”। চল একসাথে গড়ি বাংলাদেশ।